মাইক্রোসফট অফিস/Microsoft Office

Sep 26, 2022
Technology
মাইক্রোসফট অফিস/Microsoft Office
মাইক্রোসফট অফিস কী? কেন শিখবেন?
আপনার যদি একটি কম্পিউটার থাকে আর আপনি যদি মাইক্রোসফট অফিস না শিখেন তাহলে আপনার কম্পিউটার থাকাটাই বৃথা। কেননা আপনি যেকোন কাজে গেলে মাইক্রোসফট অফিস প্রয়োজন হবে। লেখালেখির কাজের জন্য এর চাইতে উন্নত এবং সহজ সফটওয়্যার আর হয়না। আপনি যেকোন চাকুরির জন্য আবেদন করতে গেলে সেখানে দেখবেন কম্পিউটার জানা এবং মাইক্রোসফট অফিস জানা আবশ্যক। কারন অফিসিয়াল প্রত্যেকটি কাজে মাইক্রোসফট অফিস প্রয়োজন হবে।
এটা শেখার জন্য কতটুকু শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন?
ইচ্ছে থাকলে যে কেউ এটা শিখতে পারবেন। তবে নুন্যতম মাধ্যমিক পাশ থাকা ভালো। কারন একজন শিক্ষিত মানুষের পক্ষেই সম্ভব কোন কাজ সঠিক ভাবে শেখা এবং তা ভবিষ্যতে নিজের কাজে প্রয়োগ করা। এরপর অবশ্যই আপনাকে কম্পিউটার চালানো জানতে হবে।
এতে কি কি কাজ শিখতে পারবো?
মাইক্রোসফট অফিসের অনেকগুলো অংশ আছে যেমন- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট এক্সেল, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট, মাইক্রোসফট এক্সেস, এগুলোকে একত্রে মাইক্রোসফট অফিস বলে। এগুলো শেখা সকলের জন্য অপরিহার্য। আর প্রত্যেকটি অংশের কাজ আলাদা আলাদা। তাই আমাদের সবগুলোই শিখতে হবে।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কি?
এটি হচ্ছে মাইক্রোসফট অফিসের প্রধান অংশ। এটি সবচেয়ে বেশি কাজে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন লেখালেখির কাজে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ব্যবহার হয় যেমন চিঠিপত্র, বই লেখা, নোটিশ দেয়া, গুরুত্বপুর্ন তথ্য সংগ্রহ করে রাখা ইত্যাদি। এর মাধ্যমে আপনি কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্যাশ মেমো, কোন বইয়ের কভার, নিজের জীবনবৃত্তান্ত সহ আরো অনেক কাজ করতে পারবেন।
মাইক্রোসফট এক্সেল কি?
মাইক্রোসফট এক্সেলে মুলত অনেক বেশি তথ্য সারিবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে রাখা যায়। যদি আপনার কোন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে মাইক্রোসফট এক্সেলের মাধ্যমে আপনি সহজেই তাদের বিভিন্ন রকম তথ্য সংগ্রহ করে রাখতে পারবেন। আবার ধরুন কোন প্রতিষ্ঠানের বেতন ,রেজাল্ট, বিদুৎ বিল,লাভ ক্ষতি ইত্যাদি সুত্র প্রয়োগ করে সহজেই আপনি কাজ করতে পারবেন।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট হচ্ছে অনেক গুরুত্বপুর্ন এবং মজার একটি অংশ। মাইক্রোসফট অফিসের এই অংশে আপনি এক বা একাধিক স্লাইডের মাধ্যমে আকর্ষনিয় বিভিন্ন পেজেন্টেশন তৈরি করতে পারবেন। মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে অফিস অথবা কলেজের প্রেজেন্টেশন তৈরি করা, স্লাইড আকারে নিজের জীবনবৃতান্ত তৈরি করা, কোন স্থান বা দেশের ডকুমেন্টরি তৈরি করা, এমনকি ভিডিও পর্যন্ত তৈরি করা যায় মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট দিয়ে।
মাইক্রোসফট এক্সেস হচ্ছে ডাটাবেজ সম্পর্কিত অংশ। এর মাধ্যমে আপনি কোন একটি ডকুমেন্ট যেখানে অসংখ্য তথ্য আছে তার সাথে কোন সফটওয়্যার সংযুক্ত করে অনেক জটিল কাজ সহজেই করতে পারবেন। ধরুন আপনাকে কোন হাসপাতালের ঔষুধ এর সম্পুর্ন তথ্য হিসাব সহকারে রাখতে হবে।

ELOZAA.COM | AN ONLINE SHOPPING PLATFORM WITH GREAT DEALS

All Categories
Flash Sale
Todays Deal